মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

ইউনিয়নের ইতিহাস

৫নং নঙ্গলমোড়া হাটহাজারী উত্তর পূর্ব প্রামেত্ম হালদা নদীর তীরে একটি গ্রামে। ১৯৭৩সনে ইউনিয়ন পরিষদের মর্যদা লাভ করে। প্রাচীন কালে হালদা নদীতে একটি সমুদ্রগামী জাহাজের নোঙ্গর পাওয়া গিয়েছিল  । অনেকের ধারনা  নোঙ্গর হত নাঙ্গলমোড়া গ্রামের উৎপত্তি হয়ে ছিল। ১৯৭২ সন পর্যমত্ম নাঙ্গলমোড়া , গুমানমর্দ্দন ইউনিয়নের  একটি ওয়ার্ড় ছিল। গুমানমর্দ্দন ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়  নাঙ্গলমোড়ায় অবস্থিত ছিল। নাঙ্গলমোড়া হাটের এক নাম চৌধুরী হাট আপর নাম কাউন্যার হাট । এখানে আরো উলেস্নখ্য যে প্রাচীন কালে বর্তমান হালদা নদী বেশ প্রশস্ব ও গভীর ছিল। বড় বানিজ্যিক যাত্রাবাহী জাহাজ এ নদী দিয়ে যাতায়াত করত । কোন এক সময় বিরাট এক জাহাজ নঙ্গর এ নদীতে ছিড়ে পড়ে যায় । নদীক্রমে বরাট হওয়ার কারণের স্থানীয় জনগন ছিড়ে পাওয়া নঙ্গরের খোজ পায় কিংবা মাঠি খননের সময় নজরে আসে। সে হতে  প্রাপ্ত নঙ্গর দেখার জন্য প্রতিদিন বহু লোকের সমাগম হত। পরস্পর জান ও জাতি পরিস্থিতি হিসাবে নোঙ্গর হতে লোক মূখে নাঙ্গল পরে নাঙ্গলমোড়া গ্রামের উৎপত্তি ।উপরোক্ত ঘটনার ঐতিহ্যবাহী তথ্য মাহাবুব উল আলমের চট্টগ্রামের ইতিহাস গ্রন্থে আছে। আবর গন আনুমানিক ৭০০ খ্রিঃ চট্টগ্রামে আসেন।তাদের আমার বহু বছর পরে ও চন্দ্রনাথ আরাকানী পাবর্ত্য পাহাড় এর মধ্যভাগের আজয়া হালদা নদী তা সমুদ্রের মতই ছিল। সমুদ্রের মত জল রাশী থাকায় বহু জাহাজ এ পথে  যাতাযাত করত ।ফটিকছড়ির মালূম্যা টিলার সাথে এক কিংবদমিত্ম রয়েছে । জাহাজ বুঝা ও জাহজের মাস্ত্তল কে কেন্দ্র করেই মালূম্যা টিলার যে রূপ নামকরণ হয়েছে। ঠিক তেমনি ভাবে হাটহাজারীর নাঙ্গলমোড় এলাকায় জাহাজ ডুবিত জাহাজের নোঙ্গরকে বেত করেই নাঙ্গলমোড়া গ্রামের উৎপত্তি হয়েছে। প্রাচীন কালে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম নদী হওয়ায কারনেই গুমনমদ্দর্ন সদর দপ্তর নাঙ্গলমোড়া। ৩ ইউনিয়নে মোট লোক সংখ্যা ৮৮২৫, পুরুষ ৪৫৩১ ও মহিলা ৪২৯৫ জন ।আয়তন ১.৮৭ কি.মি। প্রতি কি.মি. এ লোক সংখ্যা ঘনত্ব ৮৭২৮ । শিক্ষার হার ৬৯%।


Share with :
Facebook Twitter